হবিগঞ্জে চিকিৎসক পরিচয়ে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে আটক মো. আরিফকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে সদর মডেল থানা পুলিশ তাকে আদালতে হাজির করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি সময়ের আলোকে নিশ্চিত করেছেন কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. আকবর হোসেন।
এর আগে, রোববার রাতে হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকার মধুমতি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে আরিফকে আটক করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ান (এসআরবি)-৯-এর শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা মো. আরিফ নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে সই না করায় তাকে আটক দেখিয়ে সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সোমবার সকালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. শরীফ মো. সানজিদ জামান আদনান সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পক্ষে বাদী হয়ে ভোক্তা অধিকার ও প্রতারণাসংক্রান্ত দুটি ধারায় মামলা করেন। এরপর দুপুরে পুলিশ তাকে আদালতে পাঠায়।
মেডিকেল অফিসার ডা. শরীফ মো. সানজিদ জামান আদনান জানান, মোঃ আরিফ কৌশলে ডা. মীর মাহবুবুর রহমানের নাম ব্যবহার করে তার প্যাডে রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। পাশাপাশি তিনি নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষাও করছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘চিকিৎসা পেশার বৈধ যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া কেউ চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সেবা কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে মধুমতি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’